মায়ের ত্যাগ স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালিত মা দিবস
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রাচীন গ্রিসে মাতৃত্ব উদযাপনের রীতি থাকলেও আধুনিক মা দিবসের সূচনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজকর্মী আনা মারিয়া রিভস জারভিস। তার মা অ্যান রিভস জারভিস নারী অধিকার ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতেন এবং ‘মাদারস ডে ওয়ার্ক ক্লাব’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯০৫ সালে অ্যান জারভিসের মৃত্যুর পর তার মেয়ে মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে উদ্যোগ নেন এবং নিজের সানডে স্কুলে প্রথম মা দিবস পালন করেন। পরে ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মা দিবস’ ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই বিশ্বজুড়ে দিনটি উদযাপিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে মা দিবস সাধারণত ঘরোয়া পরিবেশে উদযাপন করা হয়। সন্তানরা মায়েদের ফুল, উপহার ও ভালোবাসার বার্তা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, কবিতা ও আবেগঘন স্ট্যাটাসের মাধ্যমে মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
এ উপলক্ষে বিভিন্ন ফ্যাশন ব্র্যান্ড বিশেষ আয়োজনও করে থাকে। যেমন রঙ বাংলাদেশ মা দিবস উপলক্ষে টাই-ডাই কটন শাড়ির নতুন সংগ্রহ উন্মোচন করেছে। মা দিবসের মূল বার্তা হলো—মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগকে স্মরণ করা। কারণ মা শুধু জন্মদাত্রী নন, তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, অভিভাবক এবং আজীবনের বন্ধু।

মতামতঃ-ক্রমানুসারে
Post a Comment