বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সাতপাড়া বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রাকিব উপজেলার কার্তিপুর গ্রামের সায়েদ মিয়ার ছেলে।
মামলায় একই গ্রামের আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন— রহমান মিয়ার ছেলে আজিজুর মিয়া (২২) এবং বাক্কার মিয়ার ছেলে মারুফ মিয়া (২১)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৭ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাকিব মিয়া তার দুই সহযোগীকে নিয়ে শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে। পরে রাকিব মিয়া ওই শিক্ষার্থীকে রাতভর ধর্ষণ করে
পরদিন রাস্তায় ফেলে যায় । শিক্ষার্থীর বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি রজু করার জন্য শাল্লা থানাকে নির্দেশ দিলে থানায় মামলা রেকর্ড হয়।
মামলা রজুর পরপরই শাল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরেফিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রাকিব মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান বলেন, “আদালতের নির্দেশনা অনুসারে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের নামে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রধান আসামি রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীর বাবা
