x

Tbari

Tbari.com-এ আপনাকে স্বাগতম।

"জকিগঞ্জের মাটি ও মানুষের প্রতিচ্ছবি"

জকিগঞ্জ

Tbari

জকিগঞ্জের ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার ও প্রবাসী অবদান তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম।"

শিরোনাম :
শিরোনাম :

Ads

মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে নতুন রূপরেখা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ রুম :
প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে “ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক শিক্ষা ও গবেষণা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনও প্রত্যাশিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। গবেষণা, প্রকাশনা, সাইটেশন ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং গবেষণা ও উদ্ভাবন ছাড়া আধুনিক বিশ্বে টিকে থাকা কঠিন।


তিনি আরও বলেন, বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে প্রবেশ করেছে। এআই, রোবটিক্স, অটোমেশন, আইওটি, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিংসহ নানা প্রযুক্তি মানবজীবন ও কর্মক্ষেত্রকে পরিবর্তন করছে। এর ফলে একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে প্রচলিত চাকরির বাজারে পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে।


এই প্রেক্ষাপটে তিনি মুখস্থনির্ভর ও সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান। তার মতে, দক্ষতা অর্জন ছাড়া উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যেও বেকারত্ব বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক। তাই শিক্ষা কারিকুলামকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইন্টার্নশিপ, এপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়াতে হবে। ইতোমধ্যে বিভাগীয় শহরগুলোতে স্থানীয় শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ইনোভেশন গ্রান্ট ও সিড ফান্ডিং দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন সেন্টার, সায়েন্স পার্ক ও গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।


এ ছাড়া তিনি এলামনাইদের বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। তার মতে, শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ এবং এলামনাইরা তার মেরুদণ্ড। তাই গবেষণা ও উদ্ভাবনে তাদের অংশগ্রহণ জরুরি।


অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপদেষ্টা ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে ইউজিসির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

This theme has been developed by themebari.

একটি মন্তব্য করুন

Follow Our Page