x

Tbari

Tbari.com-এ আপনাকে স্বাগতম।

"জকিগঞ্জের মাটি ও মানুষের প্রতিচ্ছবি"

জকিগঞ্জ

Tbari

জকিগঞ্জের ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার ও প্রবাসী অবদান তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম।"

শিরোনাম :
শিরোনাম :

Ads

এইচএসসি ফলাফলে আজমিরীগঞ্জে হতাশার চিত্র, পাসের হার ৩৮.০১ শতাংশ; জিপিএ-৫ শূন্য

নিউজ রুম :
প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

স্টাফ রিপোর্টার : ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়। উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪৯২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ১৮৭ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৩৮.০১ শতাংশ। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলেও এবার কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেননি।


সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।


প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজে পাসের হার সবচেয়ে কম। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪২৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১৪৯ জন। পাসের হার ৩৪.৭৩ শতাংশ। বাকি ২৮০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।


অন্যদিকে পাহাড়পুর আদর্শ কলেজ থেকে ৬২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৩৭ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫৯.৬৮ শতাংশ এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২৫ জন।


এ ছাড়া হাজী আব্দুল হাকিম ভূঁইয়া উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে একজনই উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ।


সার্বিক হিসাবে তিনটি প্রতিষ্ঠানে মোট ৫০৪ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নেন ৪৯২ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ১৮৭ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৩০৫ জন। ফলে উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলে শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


বিশেষ করে উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজের পাসের হার ৩৪.৭৩ শতাংশে নেমে আসায় ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন কলেজটির এমন ফলাফল, শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার কারণ কী এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয় সামনে এসেছে।


এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাহজাহান বলেন, “শিক্ষার মানোন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই অভিভাবক ও প্রভাষকদের নিয়ে একটি সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে কীভাবে শিক্ষার মান আরও উন্নত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু শিক্ষকদের প্রচেষ্টা নয়, অভিভাবকদের সচেতনতা ও সহযোগিতাও শিক্ষার্থীদের সাফল্য অর্জনে অপরিহার্য।”


শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পাঠদানের মান উন্নত করা, দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। এবারের ফলাফলের পেছনের কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে আগামীতে আজমিরীগঞ্জের শিক্ষার মান ও ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

This theme has been developed by themebari.

একটি মন্তব্য করুন

Follow Our Page