বৈঠকে তিনি দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী সমস্যাড়ি মেলার ইতিহাস ও স্মৃতিকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক এই মেলার স্মৃতিগুলো সংরক্ষণ ও যথাযথ প্রচারের মাধ্যমে এলাকাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মতামত ও বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হবে এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমরা সবাই মিলে দিরাই-শাল্লাকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ একটি সুন্দর এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।”
উঠান বৈঠকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নারী-পুরুষসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
