স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিরাট উজানপাড়া, ১নং আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে সংঘর্ষের ঘটনা রাত প্রায় ৭:৪৫ মিনিটে শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত চলেছে। সংঘর্ষে থানার এস,আই ফারুক ও এস,আই নাজিম উদ্দিনসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর একজনকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ৮ জন দাঙ্গাবাজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছে। মারামারি শেষে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে টহল দিয়ে পরিস্থিতি আরও শান্ত করেছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সংঘর্ষের মূল কারণ হলো দীর্ঘদিনের বিরোধ। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসমাইল হোসেন (সরশ)ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের মধ্যে চলমান মনমুটা বিরোধকে কেন্দ্র করে, মো. বাহার মিয়া (সাবেক চেয়ারম্যানের পক্ষ) ও মো. বজলু মিয়া (বর্তমান সদস্যের পক্ষ) শুক্রবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আকবর হোসেন জানান, "পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া কারণে পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যাতে পরিস্থিতি পুনরায় অবনতি না হয়, তার জন্য এলাকায় পুলিশ টহল দিয়ে নজরদারি চালাচ্ছেন।"
