স্থানীয়দের দাবি, এলাচ মেম্বারের লোকজন এভাবে জলমহাল শুকিয়ে ব্যাপক হারে মাছ শিকার করছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে মৎস্যসম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জলমহালটি জেলা প্রশাসনের অধীন হওয়ায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পানি সেচে মাছ ধরা সম্পূর্ণ অবৈধ। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আসানপুর শ্যামল বাংলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি বিশ্বরঞ্জন সরকার বলেন, “ কিছু ব্যক্তি পূর্বপরিকল্পিতভাবে পানি সেচে মাছ ধরছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
এতে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।” এলাচ মেম্বারকে মুঠোফোনে কথা বললে উনি বলেন আমি আমার ব্যবস্থা নিয়েই বিল শুকাই, আমার সাথে কথা বলে লাভ নেই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য বিষয়টি আমলে আছে,তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।
