এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বৈষম্য বিরোধী মামলার আসামি শাহজাহান মিয়া আড়ালে থেকে তার ছেলে অনিক মিয়া ও ভাগ্নে আশিক মিয়াকে দিয়ে এই বালু উত্তোলন ব্যবসা পরিচালনা করছেন। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন একাধিক ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে ট্রলার ও ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে অর্ধ কোটি টাকার অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী বলেন, “আমরা বহুবার প্রশাসনের কাছে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। নদীর তীর ভাঙছে, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ঝুঁকিতে পড়ছে।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং বর্ষা মৌসুমে ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা জানান, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে নদীভাঙন ও পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়বে এবং জনজীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
